দেশে শবে বরাত কবে?(২০২২ঈ.)
অনেকে শবে বরাতের পরদিন রোযা রাখেন। এ বিষয়ে শরীয়তের হুকুম হলো, শা’বানের এক তারিখ থেকে সাতাইশ তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখার বিশেষ ফযীলতের কথা হাদীস শরীফে আছে। তাছাড়া আইয়ামে বীয তথা প্রতি মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রোযা রাখার ব্যাপারে হাদীস শরীফে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই সাথে যয়ীফ সনদে বর্ণিত একটি হাদীসে বিশেষভাবে পনেরো তারিখের রোযা রাখার নির্দেশনাও পাওয়া যায়।
হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, (তরজমা) পনেরো শা’বানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং পরদিন রোযা রাখ।-সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস : ১৩৮৪
আগেই বলা হয়েছে যে, যেহেতু বিভিন্ন সহীহ হাদীসে শা’বান মাসের রোযার সাধারণ ফযীলত এবং আইয়ামে বীযের রোযার ফযীলত উল্লেখিত হয়েছে পাশাপাশি যয়ীফ সনদে উপরোক্ত হাদীসটিও বিদ্যমান রয়েছে তাই কেউ যদি এই সকল বিষয় বিবেচনায় রেখে পনেরো শা’বানের রোযা রাখেন তাহলে তিনি ছওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ।
মোটকথা, এ রাতে বিশেষ কোন নামাজ নেই! দুই দুই রাকাত করে যেকোনো সংখ্যক নফল নামাজ, যে কোন সূরা দিয়ে পড়লেই হবে! ১৫ই শা'বানের রোজার সাথে আগের দিন কিংবা পরের দিন মিলিয়ে মোট দুইটি রোজা রাখা উত্তম! শুধুমাত্র পনেরো তারিখ রাখা মাকরুহ!এ রাতে তওবা ইস্তেগফার করে দোয়া করতে হবে! আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে!
সুত্রঃ মাসিক আল কাউসার
আগষ্ট-সেপ্টেম্বর ০৯ঈ. সংখ্যা
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন