পোস্টগুলি

দেশে শবে বরাত কবে?(২০২২ঈ.)

চাদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সময় ১৮ই মার্চ ২২ঈ. রোজ শুক্রবার সূর্যাস্ত (মাগরিব) থেকে শুরু হবে ১৫ই শা'বান! মাগরিবের পর থেকেই এর ফজিলত শুরু হয়। রোজার জন্য সেহেরি খেতে হবে শুক্রবার দিবাগত ভোররাতে। তথা শনিবার ফজরের আগে! অনেকে শবে বরাতের পরদিন রোযা রাখেন। এ বিষয়ে শরীয়তের হুকুম হলো, শা’বানের এক তারিখ থেকে সাতাইশ তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখার বিশেষ ফযীলতের কথা হাদীস শরীফে আছে। তাছাড়া আইয়ামে বীয তথা প্রতি মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রোযা রাখার ব্যাপারে হাদীস শরীফে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই সাথে যয়ীফ সনদে বর্ণিত একটি হাদীসে বিশেষভাবে পনেরো তারিখের রোযা রাখার নির্দেশনাও পাওয়া যায়। হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, (তরজমা) পনেরো শা’বানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং পরদিন রোযা রাখ।-সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস : ১৩৮৪ আগেই বলা হয়েছে যে, যেহেতু বিভিন্ন সহীহ হাদীসে শা’বান মাসের রোযার সাধারণ ফযীলত এবং আইয়ামে বীযের রোযার ফযীলত উল্লেখিত হয়েছে পাশাপাশি যয়ীফ সনদে উপরোক্ত হাদীসটিও বিদ্যমান রয়েছে তাই কেউ যদি এই সকল বিষয় বিবেচনায় রে...

আমাদের জন্ম-মৃত্যু

আমারা পৃথিবীতে এখন আছি সত‍্য। হঠাৎ চোখটা বন্ধ হয়ে গেলে শত সহস্র শক্তি মিলে আমাকে আর জাগাতে পারবে না। মাটিতে দাফন হবো। কদিন পরে কেউ মনেও রাখবে না।যাদের জন্য ঘামাই, তারাই ভুলে যাবে। থাকবে শুধু আমার কৃতকর্ম। ভালো হলে ভালো পাবো। অন‍্যথায় শাস্তি। জীবন মৃত্যুর এ ধারাক্রম, বাস্তবতা। এটাকে বুঝতে না চেয়ে, গো ধরে বসে থাকার সুযোগ নেই। আসা যাওয়া তো বাস্তব, কিন্তু ঐপারে আরেকটি জীবনের অস্তিত্বও সত‍্য। এখানে যেমন কর্ম ঐপারে তেমন ফল। ভোগ বিলাসের জন্য পৃথিবী নয়। বরং নেক আমল কামাইর। ভোগের অন্ত নেই, যদি সৎকর্মশীল অবস্থায় বিদায় হওয়া যায়। সুতরাং বেশি বেশি আখেরাতের প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানে কাজ। কারণ পরকালের সুখটা শুধুমাত্র বিশ্বাসীদের জন্যই।